ঢাকা, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৪,

শীতে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ভাপা পিঠা



Thursday 9th of January 2014 05:52:30 AM

শীতকালে মুখরোচক খাদ্য হিসেবে পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্য বাঙ্গালীদের বেশ পুরনো। এটি বাঙ্গালির লোকজ ও সংস্কৃতিরই অংশ। সারা বছর প্রতিটি ঘরে তৈরী করা হয় নানা রকম পিঠা। তবে ভাপা পিঠা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা। যা প্রধানত শীতকালে খাওয়া হয়। শীতের এই সুচনা লগ্নে গ্রামের হাটবাজার থেকে শুরু করে শহরের রাস্তার ধারে ,স্কুল-কলেজ মাঠে এমনকি ফাষ্টফুডের দোকান গুলোতে ভাপা পিঠা বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। পানির ভাপের সাহায্যে তৈরি করা হয় বিধায় আদিকাল থেকেই এই পিঠার নামকরণ করা হয় ভাপা পিঠা।

এটি প্রধানত চালের গুঁড়ার মাঝে কিছু খেজুরের অথবা আখের গুড় দিয়ে তার উপর আবার চালের গুড়া দিয়ে গরম পানির ভাপে তৈরি করা হয় এ মজাদার পিঠা। সাথে স্বাদ বৃদ্ধির করার জন্য দেয়া হয় নারকেলের শ্বাস।

ভাপা পিঠা বানানোর পাতিল তৈরি করা হয় বিশেষ ভাবে। পাতিলের ভিতর থেকে গরম পানি ,তার উপর ঢাকনার মধ্যখানে একটি ছিদ্র থাকে । সেই ছিদ্রের উপর কাপড় পেচিয়ে রাখা হয় কাচা পিঠা ,আর সেই গরম পানির ভাপেই সিদ্ধ হয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু পিঠা। এর পাশাপাশি চিতই পিঠা, পুলি পিঠা, পাটি সাপটা, ম্যাড়া পিঠা, তেলের পিঠা । এ পিঠা গুলি আমাদের দেশের সকলের কাছেই বেশ প্রিয়।

সারা দিনের কর্মব্যস্ততা কাটিয়ে ফুটপাতে গড়ে তোলা পিঠা পুলির দোকানে এসে ভিড় জমায় নগরীর বিভিন্ন শ্রেণীর ক্রেতারা। ক্রেতাদের জন্য দোকানের দু’পাশে রাখা হয়েছে লম্বা বেঞ্চ। দোকানের বেচাকেনা হয় বেশ ভাল। যা আজকাল পিঠা উৎসবে পরিণত হয়েছে।

পিঠা তৈরি করে সংসার চালাচ্ছে নারী ও পুরুষ বিক্রতারা। মালিবাগ  মোড়ের পিঠা বিক্রেতা ফাতেমা বেগম বলেন, পিঠা বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে আমার সংসার চলে । তিনি বলেন, দুই মেয়ে এক ছেলে নিয়ে আমার সংসারে তেমন অভাব নেই।

শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরির সামনে পিঠা বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন ,শীত এলেই তিনি পিঠা বিক্রি করেন, এটি তার এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন,  ভাপা পিঠা তৈরীতে খরচ এবং সময় দুইটাই কম লাগে। সব সময় ভীড় থাকে দোকানে। প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করেই চার-পাঁচশত টাকা আয় হয় বলে জানান তিনি।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, সর্বস্তরের জনতা ফুটপাতের তৈরী করা পিঠা ক্রয় করে ফুটপাতেই বসে খাচ্ছে। বউ, ছেলেমেয়েদের জন্য পার্সেল করে নিয়ে যাচ্ছেন বাসা বাড়ীতে। দেখে মনে হয় হরেক রকম‘ পিঠা উৎসব’ ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীতে। সবাই পিঠা খাওয়ায় মেতে উঠছে প্রতিদিন।

শীতকালে মুখরোচক খাদ্য হিসেবে পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্য বাঙ্গালীদের বেশ পুরনো। এটি বাঙ্গালির লোকজ ও সংস্কৃতিরই অংশ। সারা বছর প্রতিটি ঘরে তৈরী করা হয় নানা রকম পিঠা। তবে ভাপা পিঠা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা। যা প্রধানত শীতকালে খাওয়া হয়। শীতের এই সুচনা লগ্নে গ্রামের হাটবাজার থেকে শুরু করে শহরের রাস্তার ধারে ,স্কুল-কলেজ মাঠে এমনকি ফাষ্টফুডের দোকান গুলোতে ভাপা পিঠা বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। পানির ভাপের সাহায্যে তৈরি করা হয় বিধায় আদিকাল থেকেই এই পিঠার নামকরণ করা হয় ভাপা পিঠা।

এটি প্রধানত চালের গুঁড়ার মাঝে কিছু খেজুরের অথবা আখের গুড় দিয়ে তার উপর আবার চালের গুড়া দিয়ে গরম পানির ভাপে তৈরি করা হয় এ মজাদার পিঠা। সাথে স্বাদ বৃদ্ধির করার জন্য দেয়া হয় নারকেলের শ্বাস।

ভাপা পিঠা বানানোর পাতিল তৈরি করা হয় বিশেষ ভাবে। পাতিলের ভিতর থেকে গরম পানি ,তার উপর ঢাকনার মধ্যখানে একটি ছিদ্র থাকে । সেই ছিদ্রের উপর কাপড় পেচিয়ে রাখা হয় কাচা পিঠা ,আর সেই গরম পানির ভাপেই সিদ্ধ হয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু পিঠা। এর পাশাপাশি চিতই পিঠা, পুলি পিঠা, পাটি সাপটা, ম্যাড়া পিঠা, তেলের পিঠা । এ পিঠা গুলি আমাদের দেশের সকলের কাছেই বেশ প্রিয়।

সারা দিনের কর্মব্যস্ততা কাটিয়ে ফুটপাতে গড়ে তোলা পিঠা পুলির দোকানে এসে ভিড় জমায় নগরীর বিভিন্ন শ্রেণীর ক্রেতারা। ক্রেতাদের জন্য দোকানের দু’পাশে রাখা হয়েছে লম্বা বেঞ্চ। দোকানের বেচাকেনা হয় বেশ ভাল। যা আজকাল পিঠা উৎসবে পরিণত হয়েছে।

পিঠা তৈরি করে সংসার চালাচ্ছে নারী ও পুরুষ বিক্রতারা। মালিবাগ  মোড়ের পিঠা বিক্রেতা ফাতেমা বেগম বলেন, পিঠা বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে আমার সংসার চলে । তিনি বলেন, দুই মেয়ে এক ছেলে নিয়ে আমার সংসারে তেমন অভাব নেই।

শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরির সামনে পিঠা বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন ,শীত এলেই তিনি পিঠা বিক্রি করেন, এটি তার এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন,  ভাপা পিঠা তৈরীতে খরচ এবং সময় দুইটাই কম লাগে। সব সময় ভীড় থাকে দোকানে। প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করেই চার-পাঁচশত টাকা আয় হয় বলে জানান তিনি।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, সর্বস্তরের জনতা ফুটপাতের তৈরী করা পিঠা ক্রয় করে ফুটপাতেই বসে খাচ্ছে। বউ, ছেলেমেয়েদের জন্য পার্সেল করে নিয়ে যাচ্ছেন বাসা বাড়ীতে। দেখে মনে হয় হরেক রকম‘ পিঠা উৎসব’ ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীতে। সবাই পিঠা খাওয়ায় মেতে উঠছে প্রতিদিন। - See more at: http://www.banglasongbad24.com/content/news/16626#sthash.1AKcDZAV.dpuf

সর্বশেষ


নামাজের সময়সূচী

ফজর: ৫:২৩ : যোহর ১২:১০ আসর ৪:০২ মাগরিব ৫:৪১ এশা ৬:৫৭

আজকের রাশিফল
ইতিহাসের এই দিনে
আর্কাইভ