গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত অনলাইন নিবন্ধন নাম্বার ৬৮

ষোলশহর রেল স্টেশন যেন অপরাধের একটি সাম্রাজ্য

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১৭ দিন ৩ ঘন্টা ৪৭ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1555
...

অনিয়মই এখানে নিয়ম! চট্টগ্রামের ষোলশহর রেলস্টেশন এবং জিআরপি থানা সংলগ্ন এলাকায় রেলপুলিশের পাহারায় প্রকাশ্যে বসছে জুয়া ও গাঁজার আসর। জুয়ার আসর ও মাদকের বেচাকেনায় মাসে আয় অন্তত ৩০ লাখ টাকা। ষোলশহর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা ইনচার্জের দিকেই অভিযোগের যতো তীর। ভাগাভাগিতে পিছিয়ে নেই পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষও। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, জিআরপি পুলিশের জুয়ার আসর ও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে যাওয়ার কারণে ষোলশহর রেলস্টেশন এবং জিআরপি থানা সংলগ্ন চারপাশ অপরাধীদের অভয়ারণ্য ও মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়ির পিছনে বশর কলোনিতে বসে রমজানের জুয়ার আসর। দুই-তিন রুমে প্রায় শ’খানেক লোকের আনাগোনায় চলে খেলা। পাশাপাশি স্টেশন সংলগ্ন জিআরপি থানার পাশে রেলওয়ে শ্রমিক লীগের অফিসে দিন-রাত চলছে লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলা। জুয়ার আসর জমাতে চলে মাদক সেবন। এসব খেলার একটি অংশের ভাগ দিতে হয় ষোলশহর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা অফিসার কে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি জানান, ‘খেলা তো আর এমনি এমনি হয় না। বললে সমস্যা আছে। কিন্তু না বলেও পারছি না। এই টাকার ভাগ তাগোরে না দিলে তো খেলতে পারবো না। বড় অংশই পেটে ভরে। খোঁজ নেন, পাশে থাকা আরেক দোকানে দোকানি বলেন, ‘রেলস্টেশনের প্লাটফর্মের ভেতরেই ঘোরাফেরা অপরাধীদের। পিচ্চিপাচ্চা যে কাউরে বললেই দেখিয়ে দেবে আসর।’ তাচ্ছিল্যের সুরে তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ এদের ধরার বদলে একসাথেই আসর জমায়। ওই যে কথায় আছে না রক্ষক যখন ভক্ষক।’ দোকানির সাথে কথা বলা অবস্থায় দোকানে আসা রিকশাচালক শামসুল আলম বললেন, ‘আমি পাশের এলাকায় থাকি। সন্ধ্যায় আড্ডা দিতে এখানে আসি। একদিন না বহুদিন আমিও খেলছি। এটা নেশা হইয়া গেছে। বউয়ের ডরে ছাইড়া দিছি। আমিও বহুদিন দেখছি পুলিশগুলা টাকা নেয়। নজরে রাখেন। সব জলের মতো ক্লিয়ার দেখবেন।’ পথচারী শরফুদ্দিন বললেন, এখানে আজকে চার বছর ধরেই আধিপত্য বিস্তার করে দাপটের সাথে ফাঁড়ি ও থানার সাথে সখ্যতা তৈরি করে চালাচ্ছে এই জুয়ার আসর ও মদের ব্যবসা, অভিযোগ রয়েছে, মদ ও জুয়ার আসর থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতবদল হয়ে যায় ফাঁড়ির ইনচার্জ এর হাতে, আর সেই টাকারই এক ভাগ চলে যায় তার উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে। সে কারণে দায়িত্বে অবহেলা হোক কিংবা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা হোক—সবকিছুতেই পার পেয়ে যান ফাঁড়ির ইনচার্জ, ফাাঁড়িসূত্রে জানা যায়, দিনের বেশিরভাগ সময় ফাড়ির দায়িত্বে থাকা ইনচার্জ কর্মস্থলে থাকেন না। সন্ধ্যায় একফাঁকে এসে কেবল হাজিরা দিয়েই আবারও গায়েব হয়ে যান পুলিশ সুপারের বাংলোতে। এবিষয়ে পাঁচলাইশ থানাকে অবগত করলেও লোকদেখানো অভিযান এবং অনেকটা চোর-পুলিশ খেলার মত তাদের এই অভিযান। এবিষয়ে পাঁচলাইশ জোনের এসি শাহ আলম কিরণ সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি এসবের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলি। জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে কোনরকম ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের কোন ব্যক্তি ও যদি তাদের সাথে সংযুক্ত থাকে, আর আমরা প্রমাণ পাই তাহলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিব।

...
Shahin Ahmed
01719068386

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ