+

মুয়াবিয়া (রা.) কে গালিগালাজ করা হল পথভ্রষ্টতাঃ

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ৭ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৫ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1670
...

"আমি যার মওলা, আলীও তার মওলা"

ছরকারে দো আলম, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ইরশাদ হচ্ছে :

মান কুনতু মাওলাহু ফা আলীয়ুন মাওলাহু

অর্থাৎ, আমি যার (মাওলা) বন্ধু, আলীও তার বন্ধু।

[তিরমিযী,৫মম খন্ড, পৃ-৩৯৮, হাদীস-৩৭৩৩]

অর্থ :- হযরত হাসান (রাদিঃ)কে জিজ্ঞাসা করা হল, হে আবু সাঈদ!  একদল লোক রয়েছে হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রাদিঃ)কে গালিগালাজ করে ও অভিশাপ দেয়? তখন হযরত হাসান (রাদিঃ) বললেন যারা এরূপ আচরণ করে তাদের উপর আল্লাহর লানাত (অভিশাপ)।

[তারিখে দামাস্ক ৫৯ খন্ড, ২১১ পৃঃ, কেতাবুশ শরীয়া ৫ম খন্ড ২৪৬৭ পৃঃ]

 

আল্লামা সুয়ূতী (রহ.) রচিত 'আদায়েল' নামক কিতাবে ওই সকল বিষয়ের বর্ণনা রয়েছে, যে সকল বিষয় তিনি নতুন আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁর পূর্বে কোন খোলায়ে রাশেদীন যা করেননি। হযরর আলী ও হযরত মুয়াবিয়া (রাদিঃ)  মধ্যে সৃষ্ট মতানৈক্যের কারণ ছিলো হযরত ওসমান যুন্নূরাইন (রাদিঃ) এর শাহাদাত। আমীরে মুয়াবিয়া (রাদিঃ) এবং হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাদিঃ) উভয়েই বলতেন, ওসমান (রাদিঃ) হত্যাকারীদের কেসাস কায়েম করার কাজটি দ্রুত করতে হবে, যাতে করে সাধারণ মানুষ খলীফাগণের প্রতি ধৃষ্টতা প্রধর্শন করতে না পারে। কিন্তু হযরত আলী (রাদিঃ) ধীরস্থিরতার পথ গ্রহণ করলেন এবং এটাকেই কল্যাণ মনে করলেন। খেলাফতের কাজ নির্বিঘ্ন রাখতে চাইলেন।  এই মতানৈক্যের ভিত্তি ছিলো ইজতেহাদী ভূল। তারপর হযরত আলী (রাদিঃ) ও হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রাদিঃ) অপসারিত করলেন। বিরোধিতা বৃদ্ধি পেলো। ফলে যা না হওয়ার তাই সংঘটিত হলো।

 

হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রাদিঃ) কে যারা গালি দেয়, মুনাফিক বলে তাদের জন্য শরীয়তের বিধান কী?

 

উত্তর :- হযরত আমীরে মুয়াবিয়া(রাদিঃ) সম্পর্কে বিরুপ ধারণা পোষণকারীদের জন্য সকল উলামা সম্প্রদায় (আরব ও আজমসহ) যে মন্তব্য করেছেন তা হল :- একজন মহান সম্মানিত সাহাবী সম্পর্কে এরূপ মত পোষণকারীরা পথভ্রষ্টঃ

 

ইমাম নেসাপুরী মন্তব্য করেছেন  যারা হযরত মুয়াবিয়া (রাদিঃ)র শানে কটু মন্তব্য করে তাদের সঙ্গে নামায পড়াও তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন হারাম।  (মাসাইলে ইবনে হানি নেসাপুরী ১ম খন্ড,)

আস সুন্নাহ নামক পুস্তকে বর্ণিত হয়েছে  কোন একজন হযরত আব্দুল্লাহ (রহঃ) জিজ্ঞাসা করলেন হে আবদুল্লাহ! আমার এক মামা আছে যে, হযরত আমীরে মুয়াবিয়া (রাদিঃ)র শানে কটু কথা বলে তার সহিত মেলামেশা কি শরিয়ত সম্মত?  তিনি উত্তর দিলেন তার সহিত মেলামেশা করা এমন কি একত্রিতভাবে খাওয়া দাওয়া করা হারাম। (আস-সুন্নাহ, ২য় খন্ড)

ধর্মে কোন জবরদদস্তী নেই, নিশ্চয় ভ্রান্তি থেকে সত্য পথ খুবই প্রতিভাত হয়েছে। যে ব্যক্তি তাদেরকে কাফের বলবেনা, উস্তাদ, আত্বীয় বা বন্ধুত্বের সম্পর্ককে  গুরুত্ব দিবে তারাও তাদের মত কাফির। কিয়ামতের দিবসে এক রশিতে বাঁধা হবে। "যে মুয়াবিয়া (রাদিঃ) এর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে (জাহান্নামের) ফেরেশতারা তাকে হেঁচড়ে নিয়ে যাবে।"

[আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া]

 

লেখকঃ সাংবাদিক ও ইসলামি চিন্তক

...
Md. Noorul Abchar Vnuiya(SJB:E564)
Mobile : 01863353161

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ