+

রামগড়ে কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে বাগান থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সরকারি মুল‍্যবান সম্পদ।

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ২২ দিন ১৯ ঘন্টা ১১ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1310
...

জহিরুল ইসলাম(খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ) রামগড়ে কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে বাগান থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সরকারি মুল‍্যবান সম্পদ। জহিরুল ইসলাম(খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ) খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে বাগান থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সরকারি মুল‍্যবান সম্পদ। আবারও কোন নিয়ম অনুসরণ না করেই রামগড় পাহাড়ঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সরকারি সংরক্ষিত এলাকা থেকে বিভিন্ন প্রজাতের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বন বিভাগের কোনো দাফতরিক নির্দেশ ছিল না বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, গবেষণা কেন্দ্রের সংরক্ষিত এলাকায় গবেষণার কাজ করতে বড় গাছের কারনে সমস্যা হচ্ছে তাই গাছগুলো কাটা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গবেষণার কয়েকজন অফিস স্টাপ ও শ্রমিক জানান,কিছু দিন আগে বাগানের বিভিন্ন স্পট থেকে কাঁঠাল,চাপালিশ বয়রা শীলকরই গাছ কাটা হয়েছে।যা বন বিভাগ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের কোন লিখিত আদেশ ছিলো না,অবৈধ ভাবে গাছ কাটার বিষয় বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজও প্রকাশিত হয়।তবুও অবৈধভাবে গাছ কাটা বন্ধ হয়নি, এভাবে যদি নিরবে গাছ কাটা চলে তাহলে সরকার হারাবে অনেক মুল‍্যবান সম্পদ। সরজমিনে দেখা গেছে নতুন করে আবারও বড় বড় শীল করই ও চাপালিষ সহ ৫ টি গাছ গত বৃহস্পতিবার ১১, শুক্রবার ১২ -ও শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে বাগানের টাওয়ার টিলায় সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হকের উপস্থিতিতে বাগানের শ্রমিক মমো মার্মা,লক্ষী ত্রিপুরা,ও ঊষা মার্মা,কে দিয়ে গাছগুলো কাটানো হয়।এবং পাবলিক পরিবহনে করে গাছগুলা ওই স্থান থেকে সরিয়ে রাখে। এবং গাছের গোড়ায় মাঠি ভরাট করে রাখা হয়।এসময় টাওয়ার এলাকায় ডিউটি অবস্থায় নরুল আমিন ২( সোহাগ )এবং ঊশাপ্রু মার্মা ছিলেন। গাছগুলোর বয়স ৩০-৪০ বছর হবে জানা গেছে বাগানের পুরনো শ্রমিক সুত্রে ।নাম প্রকাশ অনিইচ্ছুক এক শ্রমিক জানান গাছ কাটার সময় ব্লক সুপারভাইজার হাসান ও সফন দাসও উপস্থিত ছিলেন। কৃষি গবেষণা বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ওই গাছগুলোর প্রতিটির মূল্য হবে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।বড় গাছের জন্য গবেষণার সমস্যা হচ্ছে এটা ঠিকই তবে সরকারি নিয়মকানুন মেনে গাছ কাটা হয়নি। এবিষয় উপজেলা বন কর্মকর্তা এহিয়ার হোসেন বলেন, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি গাছ কাটা যায় না। কিন্তু রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিভাগ থেকে সেই নিয়ম মানা হয়নি। প্রধান অফিস সহকারী সুনিল দাস পুর্বের নিউজে বলেন গাছ কাটার কোন লিখিত আদেশ অফিশিয়াল ভাবে আমাদের কাছে নেই ,সরকারি নিয়ম না মেনে কি করে গাছ কাটা হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি জানিয়েছেন আমি কিছু জানিনা এবিষয়ে স‍্যার বলতে পারে।তিনি আরো জানান আমি সুনেছি মাত্র তিন-চারটা গাছ কাটা হয়েছে। এগুলো খুবই ছোট গাছ ছিল। এর পুর্বে মাতৃ কাঁঠাল গাছ রক্ষার নামে অফিসের পিছনে বাগানের ৩০ বছরের বড় বড় গাছ কেটে ডালপালাগুলা লারকি করে মন হিসেবে শ্রমিকদের মাঝে বিক্রি করেন কতৃপক্ষ ।আর বাকি অংশ রামগড়ের বিভিন্ন করাত কলে (স্মিলে )রাখা হয় যা করাত কলের মালিক ও শ্রমিক সুত্রে জানা গেছে। তবে টাওয়ার টিলার গাছ কাটার বিষয়ে সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক কে ফোন দিলে তিনি গাছ কাটার বিষয়ে কোন তথ্য দিতে রাজি হননি। উল্লেখ যে সরকারের অনুমতি ছাড়া বন,সরকারি বনভুমি,সরকারি দপ্তর, সড়কের পাশে ও পাবলিক প্লেসের গাছ কাটলে সবোর্চ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল ২০১২ সংসদে উত্থাপন করা হয়।এছাড়াও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি বেসরকারি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করার আগেই বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে।গাছ কাটতে হলে বনজ দব্র‍্যপরিবহন নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০১১অনুযায়ী বনবিভাগের অনুমতি লাগবে।তবে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের গাছ কাটার বিষয়টি রামগড় বনবিভাগ কে জানানো হয়নি।আর কৃষি মন্ত্রণালয়েরও লিখিত কোন আদেশ উক্ত দপ্তরে পাওয়া যায়নি।

...
Muhammad Masudul Haque(SJB:E526)
Mobile : 01918161881

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ