+

চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে ঘুষ দুর্নীতি জালিয়াতির অভিযোগ।

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১৭ দিন ২২ ঘন্টা ৩৬ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1050
...

 

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতি চরম রূপ ধারণ করেছে। ঘুষ ছাড়া মোটরযান রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া হয়ে পড়েছে আমাবস্যার চাঁদ।


চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীন রুটে চলাচলকারী আনফিট গাড়ি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস সার্টিফিকেট দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম বিআরটিএ এর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজার  এলাকার আবু তাহের এর নিকট থেকে এই অভিযুক্ত্ত ৩ শত টাকার রানার কার্ড এর জন্য ২ হাজার টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ নিরীহ আবু তাহেরের। শুধু তাই নয়, এই বিআরটিএ অফিসের ৫ পর্বের মধ্যে ১ম পর্বেই বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।


 

এছাড়া ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পেগনেট করতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়। এ ব্যাপারে কেউ মোটা অঙ্কের টাকা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে নানান হয়রানির শিকার হতে হয়। দালাল ছাড়া কাজ হয় না। দালালদের প্রধান  এ অফিসের অঘোষিত মালিক। তাদের কথায় সহকারী পরিচালকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী ওঠে-বসে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই কথার বাইরে এক চুল পরিমান কাজ হয় না চট্টগ্রাম বিআরটিএ  অফিসে।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স  ও পেগনেট  করতে আসা সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিদিন। এ কারণে দিন দিন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলছে চট্টগ্রাম এই বিআরটিএ অফিসে। চট্টগ্রাম  বিআরটি এ অফিসে অনুসন্ধানকালে মোটরযান রেজিস্ট্রেশন করতে আসা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রত্যেকটি মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা এবং ক্ষেত্র বিশেষে আরও বেশি টাকা নেয়া হয়ে থাকে। আর এই টাকা নির্ধারণ করে থাকে দালাল । এছাড়া অফিসের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সকল কর্মচারী ওই অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা হ্মমতার অপব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা অবাধে ঘুষ নিয়ে যাচ্ছে বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।


 
এ বিষয়ে সংবাদ কর্মীরা বিআরটিএ এক কর্মকর্তাার  নিকট থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি এই ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। কিন্তু সংবাদ কর্মীরা অফিস থেকে বের হয়ে অনেক ভুক্তভোগীর আকুতি মিনতি শুনেন। তারা জানান যে, প্রতিনিয়ত আমরা দালালের  কারণে এই অফিসে হয়রানির শিকার হচ্ছি। সে সাধারণ মানুষদের নিকট থেকে লাইসেন্স করে দেওয়ার নামে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও একটি সুত্রে জানা গিছে যে অফিসের বাইরে কম্পিউটারের  লোকজনও এ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়া হলেও বিভিন্ন অজুহাতে রেজিস্ট্রেশন পত্র দিতে ঝামেলা করা হয়।

মোটরযান চালকদের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন বাবদ প্রতি বছর অনেক টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও সাধারণ মানুষের কোনো প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন করা হয় না। ভুয়া বিল ভাউচার করে তা আত্মসাৎ করেন কয়েকজন অসাধু কর্মচারী যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনিয়ে অফিসার ও কর্মচারীদের মধ্যে চলছে নানা প্রকার ঝামেলা।

...
MD. Alauddin(SJB:E306)
Mobile : 01728968114

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , hr@sorejominbarta.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital